1. doinikuttoron@gmail.com : doinikuttoron.com :
বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১, ০৪:০২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
স্বামীর পছন্দের মার্কায় ভোট না দেওয়ায় পিটিয়ে জখম উপহার নিয়ে আর ভিক্ষা করে করোনা ভ্যাকসিনের চাহিদা মিটানো সম্ভব নয় – গোলাম মোহাম্মদ কাদের সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলেই প্রবল বৃষ্টিপাতেও নগরবাসী জলজটের ভোগান্তি থেকে মুক্ত রয়েছে-ডিএনসিসি মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম করোনায় জীবন দিলেন পুলিশের আরও এক গর্বিত সদস্য রাজধানীর মিরপুর এলাকার কিশোর গ্যাং অপুর দল এর গ্যাং লিডার অপুসহ তিন কিশোর অপরাধী’ গ্রেপ্তার । ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জনমানুষের কল্যাণে কাজ করুন-আইজিপি বস্তিবাসীদের কল্যাণে বস্তিগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা জোরদার করতে ফায়ার হাইড্রেন্টের ব্যবস্থা করা হবে-ডিএনসিসি মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম পল্লীবন্ধু এরশাদের মৃত্যু বার্ষিকীর দিনে কোন নির্বাচন চাই না – জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এর মৃত্যু দিবসে উপ-নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনের দাবি রাণী ভবানী

দুমকিতে কলেরার প্রাদুর্ভাব হাসপাতালে স্যালাইন সংকট

  • Update Time : মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ, ২০২১

দুমকি(পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ রাকিব খান

পটুয়াখালীর দুমকিতে কলেরার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। গত ১মাসে উপজেলা হাসপাতালে অন্তত: ১০০জন কলেরায় আক্রান্ত রুগীকে ভর্তি করা হয়েছে। আরও ২শতাধিক রোগী প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি চলে যান। প্রতিদিনই আসছে ডায়েরিয়া ও কলেরা আক্রান্ত রোগী। হাসপাতালে এন্টিবায়োটিক ও কলেরা স্যালাইন না থাকায় বাহির থেকে কিনতে হচ্ছে এমন অভিযোগ রোগীর স্বজনদের। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শহীদুল হাসান শাহীন স্যালাইনসহ প্রয়োজনীয় ঔষধ সংকটের সত্যতা স্বীকার করে জানান, স্যালাইন সংকটের বিষয় পটুয়াখালী সিভিল সার্জন অফিসের মাধ্যমে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে চাহিদা প্রেরণ করা হয়েছে। আসলে রোগীদের দেওয়া হবে। অন্যদিকে সিনিয়র স্টাফ নার্স আজিজুল হক জানান, এক এক জন কলেরার রোগীর ১৮-২০ হাজার এম.এল স্যালাইন দেওয়া লাগছে। শুধুমাত্র প্রাথমিকভাবে ভর্তি হওয়ার পরে হাসপাতাল থেকে স্যালাইন সংকটের কারণে ১ হাজার এম.এল স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে। রোগীরা বেশিরভাগ মুরাদিয়া,আংগারিয়া,পাংগাশিয়া ও পার্শ্ববর্তী উপজেলার নলুয়া ইউনিয়নের। শ্রীরামপুর ও লেবুখালী ইউনিয়নের রোগীর সংখ্যা কম। ৩১ শয্যার হাসপাতালে ভর্তিকৃত অন্যান্য রোগীদের পাশাপাশি কলেরার রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় বেড সংকট দেখা দিয়েছে। বেড না থাকায় হাসপাতালের মেঝেতে রোগীরা বিছানা পেতে চিকিৎসা নিচ্ছে। কলেরার রোগী বেড়ে যাওয়ায় বেড সংখ্যা কম থাকায় হাসপাতালের মেঝেতেও সংকুলান না হলে অন্য কোথায় রোগীদের চিকিৎসার জন্য ক্যাম্প করা হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মীর শহীদুল হাসান শাহীন বলেন, ৫টি ইউনিয়নে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। স্বাস্থ্য কর্মীরা ডায়রিয়ার খাবার স্যালাইনসহ অন্যান্য ঔষধ বিতরণ করছেন। যাতে এ ধরনের সমস্যায় পরতে না হয়।কলেরার রোগীরা ভর্তি হলে সুস্থ হতে সময় লাগে ৫-৭দিন। লেবুখালী ইউনিয়নের পূর্বকার্তিক পাশা গ্রামের ফাতিমা আক্তার (৭৫) ভর্তি হতে আসলেও তার স্বজনরা হাসপাতালের খারাপ অবস্থা দেখে প্রাথমিকভাবে ডাক্তারের চিচিৎসা নিয়ে বাড়িতে চলে যান। বর্তমানে হাসপাতালে মহিলা ও পুরুষের ২টি কক্ষে ৩১টি বেড থাকলেও কলেরা ও ডায়রিয়া রোগীর মধ্যে অন্যান্য রোগী ভর্তি হয়ে আছে। রোগীদের সামাল দিতে কষ্ট হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের।

SHAHANABD.COM

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

আসুন ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতন কে না বলি

© All rights reserved © 2020  doinikuttoron.com
Customized By Zoya Web Host