1. doinikuttoron@gmail.com : doinikuttoron.com :
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০১:২৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
বর্তমান সংবিধান গণতান্ত্রিক চর্চার সাথে সাংঘর্ষিক-গোলাম মোহাম্মদ কাদের দুমকিতে আয়রণ ব্রিজ এখন মরণ ফাঁদ ১৯ অক্টোবর ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (সাঃ) পালন করবে জাতীয় পার্টি জীবন ঝুঁলে আছে সেতুর ওপর ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা তরুণী, ফুফাতো ভাই গ্রেফতার মুজিবুল হক চুন্নু এমপি জাতীয় পার্টির নতুন মহাসচিব নিযুক্ত। অন্যায়, অসত্য আর অনৈতিকতার বিরুদ্ধে কখনো কথা বলতে ভয় পাননি জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু -গোলাম মোহাম্মদ কাদের পটুয়াখালীতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড, ৫২ টি দোকান ভস্মীভূত জাতীয় পার্টির রংপুর জেলার পিরগাছা উপজেলা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে মতবিনিময় দুমকিতে নির্মাণাধীন সেতুর কাজ ৪ মাস ধরে বন্ধ, দুর্ভোগে মানুষ অক্টোবরে চালু হচ্ছে দক্ষিণাঞ্চলবাসীর স্বপ্নের ‘পায়রা সেতু’ মোহাম্মদপুর থানা জাতীয় পার্টির উদ্যোগে জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও জাতীয় সংসদের মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপি‘র সুস্বাস্থ্য কামনায় কোরআন খতম ও দো’আ মাহফিল অনুষ্ঠিত । জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও জাতীয় সংসদের মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপি‘র সুস্বাস্থ্য কামনায় দো’আ মাহফিল অনুষ্ঠিত । জাতীয় শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে দুমকি উপজেলা ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা দুমকি উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি’র শোক।

পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ছিলেন প্রকৃত গণতন্ত্রমনা রাষ্ট্রনায়ক -জনবন্ধু গোলাম মোহাম্মদ কাদের

  • Update Time : রবিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২০

ঢাকা, রবিবার, ০৬ ডিসেম্বর -২০২০ : জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জনবন্ধু গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি বলেছেন, পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ছিলেন প্রকৃত গণতন্ত্রমনা রাষ্ট্রনায়ক। তিনি বলেন, আদালত পল্লীবন্ধুকে বৈধ রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। তিনি বৈধ রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবেই ক্ষমতা হস্থান্তর করেছেন। তাই কোনভাবেই হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে স্বৈরাচার বলা যাবেনা। পল্লীবন্ধুকে গায়ের জোরে স্বৈরাচার বলা হয়। তিনি বলেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সামনে ক্ষমতা হস্থান্তর না করার সুযোগ ছিলো। কিন্তু পল্লীবন্ধু গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় সংবিধানকে সমুন্নত রেখেই ক্ষমতা হস্থান্তর করেন। পল্লীবন্ধু ক্ষমতা হস্থান্তরের পর থেকে দেশ উল্টো পথে হেঁটেছে। ’৯৬ সালের পর থেকে পরপর চারবার বাংলাদেশ দুর্ণীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ঘুষ, দুর্নীতি, বিচার বহির্ভূত হত্যা বেড়েছে। পল্লীবন্ধুর জাতীয় পার্টির শাসনামলে হত্যার রাজনীতি ছিলোনা। তিন জোটের রুপরেখা অনুযায়ী সংসদীয় সরকার পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়েছে। সংবিধানে ৭০ ধারা সংসদীয় গণতন্ত্রের মূল স্বাদ ধংস করেছে। তিনি বলেন, ৭০ ধারার কারণে সংসদ সদস্যরা দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিতে পারেনা। তাতে সরকার প্রধান যা করতে চায় তার বাইরে কিছুই করা সম্ভব হয়না। তাই ৭০ ধারার কারণে সরকারে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়, যা স্বৈরতন্ত্রের পর্যায়ে। তাই সংসদীয় পদ্ধতির প্রকৃত স্বাদ রক্ষা করতে ৭০ ধারা বিলুপ্ত করতে হবে অথবা অন্য কিছু ভাবতে হবে সরকার পদ্ধতি নিয়ে। ৭০ ধারা বিদ্যমান থাকায় নির্যাতন ও দুর্নীতি বেড়ে যায়। সুশাসনের অভাব হয় এবং আইনের শাসন কার্যকর করা যায় না। ১৯৯১ সালের নির্বাচন পদ্ধতির সমালোচনা করে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জনবন্ধু গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, ৯১ সালে জাতীয় পার্টির জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ছিলোনা। পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদসহ জাতীয় পার্টির শীর্ষ নেতাদের জেলে আটকে রাখা হয়েছে। প্রচার-প্রচারণা করতে দেয়া হয়নি জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের। জাতীয় পার্টিকে বাদ দিয়েই নির্বাচন করতে চেয়েছিলো তারা। জাতীয় পার্টিকে মাঠেই থাকতে দেয়নি ’৯১ সালের নির্বাচনে। কিন্তু সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসায় জাতীয় পার্টি প্রতিকূল পরিবেশেও ৩৫টি আসনে বিজয়ী হয়েছিলো। জেলে থেকেই পল্লীবন্ধু ৫টি করে আসনে বিজয়ী হয়েছেন ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে। তিনি বলেন, আমরা পল্লীবন্ধুর আদর্শে নতুন বাংলাদেশ গড়ে দেশের মানুষকে মুক্তি দেবো।
জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি বলেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে ক্ষমতাচ্যুত করতেই ডা. মিলন ও নূর হোসেনকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি বলেন, ৩০ বছরেও ডা. মিলন ও নূর হোসেনর হত্যার বিচার হয়নি। জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় গেলে অবশ্যই এই ষড়যন্ত্রমূলক হত্যার বিচার করবে। তিনি বলেন, কেউই ক্ষমতা ছাড়তে চায়না- কিন্তু পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ রক্তপাত চায়নি বলেই গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছেন।
এসময় জাতীয় পার্টি মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু বলেন, ১৯৯১ সালে তিন জোটের রুপরেখায় মানবতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধীদের লালন করা হয়েছে। ’৯১ সালের নির্বাচনেই নিজামী ও মুজাহিদকে এমপি বানানো হয়েছিলো। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে ভোটাধিকার নেই, মানুষের কথা বলা অধিকার নেই। নির্বাচনের উপর আস্থা নেই দেশের মানুষের। তছনছ হয়েছে দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা। তিনি বলেন, আমরা স্বাধীন নির্বাচন কমিশন চাই। বলেন, সরকার খুন, গুম, হত্যা ও ধর্ষণ বন্ধ করতে পারছেনা। অথচ, মাত্র ১ মাসের মধ্যে আইনের শাসন কার্যকর করে পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ দেশ থেকে এসিড সন্ত্রাস নিমূল করেছিলেন। তিনি বলেন, মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতেই জাতীয় পার্টির রাজনীতি। বিএনপি ও আওয়ামী লীগের দুঃশাসন থেকে দেশের মানুষকে মুক্তি দিতেই আমাদের রাজনীতি।
কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, দেশের মানুষকে স্বাধীনতার প্রকৃত স্বাদ দিয়েছিলেন পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তিনি বলেন, প্রতিহিংসার বসে পল্লীবন্ধুকে আর স্বৈরাচার বলা চলবেনা। পল্লীবন্ধু এদেশের মানুষের জন্য আশীর্বাদ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন।
কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি বলেন, হুসেইন শহীদ সোহরওয়ার্দীর পরেই গণতন্ত্রের মানসপুত্র হচ্ছেন পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। বঙ্গবন্ধুর পরে পল্লীবন্ধুর উন্নয়ন ও সুশাসন ইতিহাসের পাতাই স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন- প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায়, এস.এম. ফয়সল চিশতী, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, এডভোকেট মোঃ রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, আলমগীর সিকদার লোটন, আব্দুস সাত্তার মিয়া, মাননীয় চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মিসেস শেরিফা কাদের, মাহমুদুর রহমান মাহমুদ, জহিরুল ইসলাম রুবেল, মেহেরুন্নেসা খান হেনা, ভাইস চেয়ারম্যান আদেলুর রহমান এমপি, যুগ্ম মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোঃ বেলাল হোসেন, কৃষক পার্টির সাধরণ সম্পাদক এবিএম লিয়াকত হোসেন চাকলাদার, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পার্টির আহŸায়ক ইসহাক ভূঁইয়া, জাতীয় শ্রমিক পার্টির সভাপতি একেএম আশরাফুজ্জামান খান। উপস্থিত ছিলেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য আজম খান, সৈয়দ দিদার বখত্, মেজর অব. রানা মোঃ সোহেল এমপি, মনিরুল ইসলাম মিলন, ড. নুরুল আজহার, হারুন রশীদ, ভাইস চেয়ারম্যান মেজর অব. আব্দুস সালাম, নিগার সুলতানা রানী, সুলতান আহমেদ সেলিম, কাজী আশরাফ সিদ্দিকী, মোঃ লুৎফুর রেজা খোকন, যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল আহসান শাহজাদা, আমির হোসেন ভূঁইয়া, মোঃ সামসুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন সরকার, মোঃ হেলাল উদ্দিন, সৈয়দ মঞ্জুরুর হোসেন মঞ্জু, মোঃ সাইফুল ইসলাম, মোঃ হুমায়ুন খান, আনোয়ার হোসেন তোতা, সৈয়দ মোঃ ইফতেকার আহসান হাসান, কাজী আবুল খায়ের, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য সুলতান মাহমুদ, মাসুদুর রহমান মাসুম, এম.এ. রাজ্জাক খান, আহাদ চৌধুরী শাহীন, মিজানুর রহমান মিরু, সুমন আশরাফ, মোস্তাফিজুর রহমান আকাশ, আজহার সরকার, নিজাম উদ্দিন সরকার।

SHAHANABD.COM

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

আসুন ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতন কে না বলি

© All rights reserved © 2020  doinikuttoron.com
Customized By Zoya Web Host